শীতে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে যেসব ফল খেলে

শীতে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে যেসব ফল খেলে শীতের ঠান্ডা আবহাওয়া শরীরকে সুস্থ ও প্রাণবন্ত রাখতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরী। এই সময়ে ভাইরাস, সর্দি-কাশি ও বিভিন্ন সংক্রমনের ঝুঁকি বেড়ে যায়, তাই খাদ্য তালিকায় পুষ্টিকর ফল অন্তর্ভুক্ত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
শীতে-শরীরে-রোগ-প্রতিরোধ-ক্ষমতা-বাড়বে-যেসব-ফল-খেলে
অনেক শীতের ফলেই থাকে ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, মিনারেল ও প্রয়োজনীয় ফাইবার, যা স্বাভাবিকভাবে ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে। নিয়মিত সঠিক ফল খেলে শরীরে প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় থাকে এবং দ্রুত অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা কমে। বিশেষ করে কমলা,লেবু, আপেল, ডালিম, পেয়ারা ও মালটার মত ফল শীতে প্রকৃতির দেওয়া অসাধারণ উপহার। এসব ফল শুধু রোগ প্রতিরোধই বাড়ায় না, শরীরকে উষ্ণ রাখতে ও সাহায্য করে। তাই শীতকালে প্রতিদিনের ডায়েটে এসব ফল যোগ করলে স্বাস্থ্য সুরক্ষা অনেক সহজ হয়ে যায়।

সূচিপত্রঃশীতে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে যেসব ফল খেলে

শীতে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে যেসব ফল খেলে

শীতকাল এমন একটি ঋতু, যখন আমাদের শরীর সহজে ঠান্ডা জড়িত রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এই সময়ে তাপমাত্রার তারতম্য ইমিউন সিস্টেমকে কিছুটা দুর্বল করে ফেলে। তাই শীতের মৌসুমে এমন ফল খাওয়া জরুরি যেগুলো শরীরকে ভিতর থেকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ফলের প্রাকৃতিক ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে এবং শক্তি যোগায়।

কমলাঃমাল্টা ও লেবুর মত সাইট্রাস ফল শীতে অন্যতম প্রয়োজনীয় খাবার। এগুলোতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, জর সর্দি কাশি প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর। নিয়মিত এ ধরনের ফল খেলে শরীরের ইমিউন কোষ গুলো আরো সক্রিয় থাকে এবং শীতের ভাইরাস সহজে আক্রমণ করতে পারেনা।

পেয়ারাঃ হল শীতের এক অসাধারণ ফল, যেখানে কমলার তুলনায় বেশি ভিটামিন সি পাওয়া যায়। পেয়ারার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষগুলোকে সুরক্ষা দেয় এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও কর্মীদের জন্য পেয়ারা অত্যন্ত উপকারী, কারণ এটি দেহে শক্তি যোগায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দীর্ঘক্ষণ সক্রিয় রাখে।

ডালিম বা বেদেনাঃ শীতকালের একটি শক্তিবর্ধক ফল। এটি রক্তকে বিশুদ্ধ করে এবং শরীরে নতুন রক্ত কণিকা তৈরিতে সহায়তা করে। ফলে ইমিউনিটি স্বাভাবিকভাবেই শক্তিশালী হয়। ডালিমের এন্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের প্রদাহ কমায় এবং শীতজনিত ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে।

আপেলঃ শীতের দারুন সঙ্গী হিসেবে পরিচিত। দিনে একটি আপেল, ডাক্তার রাখো দূরে এই কথাটি শুধু প্রবাদ নয়, এতে সত্যতা রয়েছে। আপেলে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড ও ভিটামিন শরীরকে ঠান্ডা জনিত অসুখ থেকে রক্ষা করে এবং ফুসফুসকে শক্তিশালী করে তোলে। প্রতিদিন একটি আপেল শীতকালের রোগ প্রতিরোধ বড় ভূমিকা রাখে।

কিউইঃ ফলের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে কারণ এটি একটি পুষ্টিকর সুপার ফুড। এতে ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ভাবে থাকে। কিউই শ্বাসতন্ত্রকে শক্তিশালী করে, ফলে শীতে ঠান্ডা কাশির ঝুঁকি কমে যায়। পাশাপাশি এটি ত্বককে ও টানটান ও সুস্থ রাখে।

আঙ্গুরঃ শীতের আরেকটি উপকারী ফল, যার প্রতিটি দানায় এন্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রাকৃতিক সুগার থাকে। আঙ্গুর শরীরকে দ্রুত শক্তি দেয় এবং ভাইরাস বিরোধী উপাদান শরীরকে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়। বিশেষ করে লাল আঙ্গুরে রেসভারেট্রল থাকে, যা ইমিউনিটি বাড়ানোর জন্য অত্যন্ত কার্যকর।

স্ট্রবেরিঃ একটি সুস্বাদু শীতকালীন ফল, তবে এর উপকারিতা অনেকেই জানেনা। এতে প্রচুর ভিটামিন সি, ম্যাঙ্গানিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে। স্ট্রবেরি ত্বকের সজীবতা বাড়ায় এবং শরীরের টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে।

কলাঃ শীতকালে শরীরকে শক্তি যোগানোর অন্যান্য উৎস। এতে পটাশিয়াম, ভিটামিন বি৬ ও ফাইবার রয়েছে যা শরীরের শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে। শীতকালে অনেকের হজম শক্তি কমে যায়, কলা সেই সমস্যা ও দূর করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

পেঁপেঃ এমন একটি ফল যা সারা বছর সহজলভ্য। পেঁপের এনজাইম হজম শক্তি বাড়ায় এবং শরীরের ভেতরে অপ্রয়োজনীয় টক্সিন কমিয়ে ইমিউনিটি শক্তিশালী করে। শীতকালে পেঁপে খেলে সর্দি কাশির ঝুকি কমে এবং শরীর ভেতর থেকে পুষ্টি পায়।

শীতের সকালে যে পাঁচটি ফল খাওয়ার উপকারিতা

শীতের সকালটা একটু ঠান্ডা, কুয়াশা আর হালকা রোদ। এ সময় খালি পেটে কিছু ফল খেলে শরীরটা গরম থাকে, আর রোগ ও কম হয়। আমি তো প্রতিদিন সকালে পাঁচটা ফল খাই কমলা, আমলকি, আপেল, কলা, আর পেঁপে। এগুলোর উপকারিতা একটু একটু করে বলি।
  • প্রথমে কমলালেবুঃ সকালে একটা কমলা ছিলে খেলে মনে হয় শরীরের বিদ্যুৎ চলে আসে। এতে ভিটামিন সি এত বেশি যে, সারাদিন সর্দি কাশি থেকে বাঁচিয়ে রাখে। আমার মা বলতেন কমলা খেলে গলা পরিষ্কার থাকে, সত্যিই গান গাইতে ইচ্ছে করে।
  • দ্বিতীয়টা আমলকিঃ একটা ছোট্ট আমলকি, কিন্তু ক্ষমতা কমলার চেয়ে ২০ গুণ, আমি কুচি করে খাই। শরীরের ভেতর থেকে রোগের জীবাণু মারতে শুরু করে। শীতে যারা হাঁপানি বা অ্যালার্জির সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য এটা ওষুধের মত।
  • তৃতীয় আপেলঃ একটা আপেল খেলে ডাক্তার দূরে থাকে, এই কথা শীতেও সত্যি। ছিলকা সমেত খেলে ফাইবার পাওয়া যায়, পেট পরিষ্কার থাকে। আর এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষগুলোকে নতুন করে তোলে। আমি তো কখনো কখনো আপেলের টুকরো দিয়ে চা বানায় গরম গরম।
  • চতুর্থ কলাঃ শীতের সকালে হাত পা ঠান্ডা লাগে? একটা কলা খান। এতে পটাশিয়াম আছে, শরীর গরম রাখে। আর ভিটামিন বি৬ থাকাই মনটা ফুরফুরে থাকে। আমার ছোট্ট ভাই স্কুলে যাওয়ার আগে একটা কলা খাই বলে এনার্জি আসে।
  • পঞ্চম পেঁপেঃ সকালে খেলে পেট হালকা থাকে। এতে পাপেইন নামের একটা এনজাইম আছে, যেটা হজমের সাহায্য করে। আর ভিটামিন এ চোখ আর ত্বকের জন্য দারুন। আমি কখনো পেঁপে কুচি করে দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খায়, মনে হয় সকালটা মিষ্টি হয়ে গেল।
এই পাঁচটা ফল সকালে খেলে শীতেও শরীরটা চন মনে থাকে। একদিন চেষ্টা করে দেখুন, নিজেই বুঝবেন। আর হ্যাঁ পানিও এক গ্লাস খেয়ে নেবেন ফলের পুষ্টি আরো ভালো শোষণ হবে।

ভিটামিন সি ছাড়া আর কোন পুষ্টি শীতে ইমিউনিটি বাড়ায়

প্রথমে আসি জিংক এর কথাঃ জিংক হল ইমিউন সিস্টেমের সৈনিক। এটা না থাকলে শ্বেত রক্তকণিকা ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। শীতে যাদের বারবার সর্দি লাগে, তাদের ড্রিংক কম থাকে। কোথায় পাবেন, কুমড়া বিচি, বাদাম, ডাল, মাংস, আর ফলের মধ্যে আমড়া আর আঙ্গুর। এক মুঠো কুমড়ার বিচি চিবালে সারাদিনের জিঙ্ক হয়ে যায়।

দ্বিতীয়টা ভিটামিন ডিঃ শীতের রোদ কম, তাই ভিটামিন ডি এর ঘাটতি হয়। এটা না থাকলে ইমিউনিটি দুর্বল হয়ে পড়ে। রোদে ১৫ মিনিট বসলেই হয়, কিন্তু খাবারে? মাছের তেল, ডিমের কুসুম। ফল বলতে কমলালেবু আর পেঁপেতে সামান্য থাকে, তবে মূল উৎস রোদ আর মাছ।

তৃতীয় ভিটামিন এঃ চোখের জন্য নয় শুধু, এটা শরীরের প্রথম প্রতীরক্ষা, ত্বক আর শ্লেষ্মা ঝিল্লি মজবুত করে। শীতের ঠান্ডা বাতাসে নাক গলা শুকিয়ে যায়। ভিটামিন এ থাকলে জীবাণু ঢুকতে পারে না। পাবেন পেঁপে, আম, গাজর, কুমড়োতে। এক টুকরো পাকা পেঁপে খেলেই হয়।

চতুর্থ প্রোবায়োটিক আর ফাইবারঃ পেটই হলো ইমিউনিটির ৭০% কারখানা। ভালো ব্যাকটেরিয়া থাকলে রোগ কম হয়। ফলের মধ্যে কলা প্রি বায়োটিক আপেল পেকটিন ফাইবার দারুন। আর দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে তো কথাই নেই।

শেষে এন্টিঅক্সিডেন্ট যেমন কোয়ারসেটিন রেসভেরাট্রল। এগুলো শরীরের ময়লা ফ্রি রেডিক্যাল পরিষ্কার করে। আপেলের সিলকা কালো আঙ্গুর পেয়ারা এগুলোতে প্রচুর। শীতে যারা ধুলো ধোঁয়ায় অ্যালার্জি পান তাদের জন্য এটা ঔষধ।
শীতে-শরীরে-রোগ-প্রতিরোধ-ক্ষমতা-বাড়বে-যেসব-ফল-খেলে
ভিটামিন সি এর সঙ্গে জিংক, ভিটামিন ডি ভিটামিন এ খাইবার মিশিয়ে খান। সকালে একটা কলা, এক মুঠো বাদাম, এক টুকরো পেঁপে, ব্যস শীতেও রোগ আসবে না দরজায়।

ডালিমে শরীরের শক্তি বাড়ে

ডালিম শরীরের শক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা মজবুত করার একটি চমৎকার ফল, শীতে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে যেসব ফল খেলে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পিউনিক্যালাজিন এবং পিউনিক এসিড শরীরকে ভেতর থেকে সুরক্ষা দেয়। ডালিম রক্ত শূন্যতা কমায় এবং রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে, যা শীতকালে খুবই উপকারী। এছাড়াও ডালিমের ভিটামিন সি ও পলিফেনল রয়েছে যা ভাইরাসজনিত রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। প্রতিদিন ডালিম বা ডালিমের রস খেলে শরীর বেশি শক্তিশালী ও সক্রিয় অনুভূত হয়।

কিউই ফল রোগ প্রতিরোধ সহায়ক

কিউই ফলকে অনেকেই ইমিউনিটি ফল নামে চেনেন। এতে ভিটামিন সি আপেলের চেয়েও এবং অনেক সময় কমলার চেয়েও বেশি থাকে। এছাড়া এতে রয়েছে ভিটামিন কে, ফাইবার এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করে। কিউই শীতকালে গলা ব্যথা সর্দি কাশি ও ইনফেকশন কমাতে দারুন কাজ করে। ছোট বড় সবার জন্য কিউই অত্যন্ত পুষ্টিকর, বিশেষ করে যাদের ইমিউনিটি দুর্বল। প্রতিদিন একটি কিউই আপনার শরীরকে শীতের ক্ষতিকর জীবাণু থেকে দূরে রাখতে পারে।

মিষ্টি পেয়ারা শীতের সঙ্গী

পেয়ারার শীতকালের এমন একটি ফল যা ভিটামিন সি তে ভরপুর।শীতে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে যেসব ফল খেলে এটি ইমিউনিটি বাড়াতে অত্যন্ত কার্যকর। পেয়ারার ফাইবার হজম শক্তি উন্নত করে এবং পেট পরিষ্কার রাখে, ফলে শীতকালীন বদহজমের সমস্যা কমে। এছাড়া এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে সর্দি কাশি গলা ব্যথা এবং ভাইরাসে আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। নিয়মিত পেয়ারা খেলে ত্বক ও সতেজ উজ্জ্বল থাকে, যা শীতকালে খুবই উপকারী। শিশু এবং উপকারী ফল।

আঙ্গুরে শরীরের শক্তি বৃদ্ধি

আঙ্গুর প্রাকৃতিক গ্লুকোজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফল, যা শীতের দিনে শরীরকে দ্রুত শক্তি দেয়। এতে থাকা ভিটামিন সি ভিটামিন কে ও পলিফেনল ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী রাখে। আঙ্গুর রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এবং হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখতে সাহায্য করে, যা শীতের সময় বিশেষভাবে প্রয়োজন। পাশাপাশি আঙ্গুর সর্দি কাশি প্রতিরোধ করে এবং ফুসফুস পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে। প্রতিদিন কিছু আঙ্গুর খেলে শরীর সতেজ থাকে ও ক্লান্তি কমে।

মালটা খেলে ঠান্ডা দূর হয়

মালটা শীতকালে সর্দি কাশি প্রতিরোধে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ফল। এতে থাকা ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ভাইরাসের আক্রমণ কমায়। মালটা শরীর ভালো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করে, যা কোষকে সুরক্ষা দেয়। নিয়মিত মালটা খেলে গলা ব্যথা ঠান্ডা লাগা এবং শীত জনিত ক্লান্তি কমে। পাশাপাশি এতে থাকা ফাইবার হজম শক্তি ভালো রাখে এবং পেট হালকা রাখে।

স্ট্রবেরিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের জয়

শীতে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে যেসব ফল খেলে স্ট্রবেরি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি এবং ম্যাঙ্গানিজে ভর কয়েকটি ফল। এটি শরীরের ইমিউনিটি বাড়াতে অত্যন্ত কার্যকর। স্ট্রবেরি ঠান্ডা জ্বর প্রতিরোধ করে এবং শীতের সময় গলা ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি ত্বককে উজ্জ্বল রাখে ও শরীরের কোষ সুরক্ষিত রাখে। যারা শীতকালে ক্লান্তি বা দুর্বলতা অনুভব করেন, তাদের জন্য স্ট্রবেরি একটি চমৎকার পছন্দ।

পেঁপের এনজাইম রাখে সুস্থ

পেঁপে একটি শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ  বর্ধক ফল। শীতে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে যেসব ফল খেলে এতে থাকা পাপেইন এনজাইম হাজমশক্তি উন্নত করে এবং শরীর দ্রুত পুষ্টি গ্রহণ করতে পারে।
শীতে-শরীরে-রোগ-প্রতিরোধ-ক্ষমতা-বাড়বে-যেসব-ফল-খেলে
পেঁপেতে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ ও এন্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা শীতের দিনে সর্দি কাশি প্রতিরোধে কার্যকর। নিয়মিত পেঁপে খেলে পেট ভালো থাকে, শরীর হালকা লাগে এবং ইমিউনিটি বাড়ে। এটি ত্বক ও উজ্জ্বল রাখে এবং ক্লান্তি কমায়।

উপসংহার

শীতকালে এমন একটি সময় যখন আমাদের শরীর সহজে ঠান্ডা সর্দি কাশি ও বিভিন্ন সংক্রমণে আক্রান্ত হতে পারে। তাই এই সময়ের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী রাখা জরুরী। শীতের মৌসুমে পাওয়া ফলগুলো যেমন কমলা, মালটা, পেয়ারা, কিউই, আপেল, স্ট্রবেরি, ডালিম, আঙ্গুর, বেদেনা, এসব ফল শুধু সুস্বাদুই নয়, প্রাকৃতিক ভিটামিন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও মিনারেলে ভরপুর, যা শরীরকে ভেতর থেকে সুরক্ষা দেয়। নিয়মিত এসব ফল খেলে শরীরে ইমিউনিটি বাড়ে, শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং অবাঞ্ছিত রোগের আক্রমণ থেকে রেহাই মিলে।

শীতে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে যেসব ফল খেলে সুস্থ থাকার জন্য আলাদা কোন খরচ বা অতিরিক্ত চিকিৎসার প্রয়োজন নেই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় শীতকালীন ফল যোগ করলে শরীর নিজেই প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করে তোলে। তাই সুস্থ ও প্রাণবন্ত থাকতে এই শীতে আপনার প্লেটে রাখুন প্রাকৃতিক দেওয়া এই অসাধারণ ফলগুলো, আর থাকুন রোগমুক্ত ও সতেজ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনার মূল্যবান মতামত এখানে টাইপ করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url