কম্বোডিয়া যেতে কত টাকা লাগে এবং ভিসার দাম কত
কম্বোডিয়া যেতে কত টাকা লাগে এবং ভিসার দাম কত কম বাজেটে বিদেশ ভ্রমণের স্বপ্ন
দেখলে কম্বোডিয়ার নামটা মাথায় আসতেই পারে।
কারণ দেশটা এমন খরচ কম, ঘুরে দেখার
জায়গা বেশি, আর ভিসা পাওয়াও একদম ঝামেলা হীন। অনেকেই ভাবেন বিদেশ মানে লাখ লাখ
টাকা লাগবে, কিন্তু কম্বোডিয়ার ক্ষেত্রে বিষয়টা পুরো উল্টা। ফাস্ট ফরেন ট্রিপ
ট্রাই এখান থেকে শুরু করতে পারেন। ভিসার দামও হাতের নাগালে,আর পুরো সফরের মোট খরচ
হিসাব করলে বেশিভাগ মানুষই অবাক হন, এত কম খরচেও বিদেশে যাওয়া যাই।
সূচিপত্রঃকম্বোডিয়া যেতে কত টাকা লাগে এবং ভিসার দাম কত
- কম্বোডিয়ায় যেতে কত টাকা লাগে
- কম্বোডিয়া ভিসার দাম কত
- কম্বোডিয়ায় ভিসার মেয়াদ সর্বোচ্চ কত দিনের হয়
- কম্বোডিয়ায় কোন কাজের চাহিদা বেশি
- কম্বোডিয়ার উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা কেমন
- বাংলাদেশ থেকে কম্বোডিয়া যাওয়ার সহজ উপায়
- বাংলাদেশ থেকে কম্বোডিয়া কেন যাওয়া উচিত
- বাংলাদেশ থেকে কম্বোডিয়ার দূরত্ব কত
- বাংলাদেশ থেকে কম্বোডিয়া যেতে কত সময় লাগে
- উপসংহার
কম্বোডিয়ায় যেতে কত টাকা লাগে
কম্বোডিয়া ভ্রমণের খরচ আপনার পরিকল্পনা, সময় ও স্টাইলের ভিন্ন হতে পারে, তবে
মোটামুটি ধরে বলতে গেলে এটা বাংলাদেশের মানুষের জন্য বেশ সাশ্রয়ী একটি
ডেস্টিনেশন। সাধারণভাবে ঢাকা থেকে রিটার্ন এয়ার টিকিট ২৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার
টাকার মধ্যে পাওয়া যায়, যদি অফার বা সিজন অনুযায়ী কিনতে পারেন। ভিসা করতে লাগে
মাত্র ৩০ ডলার, যা আমাদের টাকায় প্রায় ৩৫০০ টাকার মত মানে অন্যান্য দেশের
তুলনায় অনেক কম।
কম্বোডিয়া যেতে কত টাকা লাগে এবং ভিসার দাম কত থাকার খরচও তুলনামূলক বেশ
সস্তা ভালো মানের হোটেল বা গেস্ট হাউজ ১২০০ থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে সহজে পাওয়া
যায়। খাবারও খুব বেশি দামি নয় দিনে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকায় ভালোভাবে খেতে পারবেন।
শহরের ভেতরে চলাফেরার জন্য টুকটুক, বাস বা মোটর ট্যাক্সি খুবই সস্তা, দিনে ৩০০
থেকে ৫০০ টাকায় কাজ চালানো যায়।
সামগ্রিকভাবে যদি আপনি ৩-৫ দিনের একটি সাধারন ভ্রমণ পরিকল্পনা করেন, তাহলে পুরো
ভ্রমণে মোট খরচ প্রায় ৪০-৬০ হাজার টাকার মধ্যেই খুব আরামে কাভার করা সম্ভব। একটু
আরামে ঘুরতে চাইলে ৭০-৮০ হাজার টাকা ও ধরতে পারেন। সব মিলিয়ে কম্বোডিয়া এমন এক
দেশ, যেখানে কম টাকা খরচে দারুন একটি আন্তর্জাতিক ট্রাভেল এক্সপেরিয়েন্স উপভোগ
করা যায়।
কম্বোডিয়া ভিসার দাম কত
কম্বোডিয়ার ভিসার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এর খরচ খুবই কম এবং প্রক্রিয়া অনেক
সহজ।কম্বোডিয়া যেতে কত টাকা লাগে এবং ভিসার দাম কত সাধারণ ভ্রমণকারীদের জন্য
টুরিস্ট ভিসা বা ই- ভিসা করতে মাত্র ৩০ ডলার লাগে, যা আমাদের টাকায় প্রায়
৩৩০০-৩৬০০ টাকার মত। এত কম টাকায় বিদেশ ভ্রমণের ভিসা পাওয়া সত্যিই অনেক দেশের
তুলনায় সাশ্রয়ী। আরে ভিসা আপনি ঘরে বসে অনলাইনে আবেদন করতে পারেন, কোন এজেন্ট
বা অতিরিক্ত ঝামেলা ছাড়াই।
অনলাইন ই- ভিসা কেন সেরাঃ অনলাইন ই ভিসা এখন ভ্রমণকারীদের প্রথম পছন্দ, কারণ
আবেদন করা সহজ, সময় কম লাগে, এবং যাত্রার দিন বিমানবন্দরে অতিরিক্ত দাঁড়িয়ে
থাকতে হয় না। সাধারণ ৩-৫ দিনের মধ্যে ভিসা প্রস্তুত হয়ে যায়। শুধু পাসপোর্ট,
ছবি ও ফরম পূরণ এই তিনটি জিনিসই যথেষ্ট। তাই যারা প্রথমবার বিদেশ ভ্রমণ করেছেন,
তাদের জন্য এটি খুবই সুবিধাজনক।
কাজ বা দীর্ঘমেয়াদি ভিসা খরচঃ যদি আপনি কম্বোডিয়ায় কাজ করতে বা বেশি সময়
থাকতে চান, তাহলে টুরিস্ট ভিসা নয়, ওয়ার্ক বা ই- ক্লাস ভিসা লাগবে। এ ধরনের
ভিসা ফি আলাদা হয় এবং মেয়াদ অনুযায়ী বাড়তে পারে। এছাড়া কাজের জন্য আলাদা
ওয়ার্ক পারমিট ও প্রয়োজন, যা খরচ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা চাকরির ধরন অনুযায়ী
ভিন্ন হতে পারে। অর্থাৎ আপনি যতদিন থাকতে চান, খরচ ও তার উপর নির্ভর করে।
কোন ভিসায় কোন খরচ সংক্ষেপেঃ সাধারণভাবে বলতে গেলে পর্যটকদের জন্য ভিসা খরচ খুবই
কম, আর কর্মী বা স্টুডেন্টের জন্য খরচ একটু বেশি, কারণ তাদের ভিসা ও পারমিট
দুটোই লাগে। তবে অন্যান্য দেশের তুলনায় কম্বোডিয়া এখনো একটি লো-কস্ট ভিসা
ফ্রেন্ডলি দেশী হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে বাংলাদেশীদের জন্য ভিসা পাওয়া বেশ সহজ
এবং খরচও বেশ কম।
কম্বোডিয়ায় ভিসার মেয়াদ সর্বোচ্চ কত দিনের হয়
কম্বোডিয়া ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক বিষয় হলো এখানে ভিসার মেয়াদ এবং
ভিসা বাড়ানোর প্রক্রিয়া দুটোই তুলনামূলক সহজ। কম্বোডিয়া যেতে কত টাকা লাগে এবং
ভিসার দাম কত সাধারণ পর্যটকদের জন্য মূলত ৩০ দিনের টুরিস্ট ভিসা দেওয়া হয়। তবে
অনেকেই ভাবেন এই ৩০ দিনের বাহিরে কি থাকা যায়? অবশ্যই যায় ভিসার মেয়াদ আপনি
চাইলে বাড়াতে পারবেন।
টুরিস্ট ভিসার মেয়াদঃ
- মূল ভিসাঃ ৩০ দিন
- ভিসা এক্সটেনশনঃ অতিরিক্ত ৩০ দিন
- মোট সর্বোচ্চঃ ৬০ দিন
দীর্ঘমেয়াদী হিসাব ধরণঃ
- ই-ক্লাস অর্ডিনারি ভিসাঃ কাজ বা ব্যবসার জন্য
- ছাত্র ভিসা/স্টুডেন্ট ভিসা
- বিজনেস ভিসা
- ওয়ার্ক পারমিটঃ সবচেয়ে বেশি ৬ মাস বা ১ বছরের জন্য বানানো যায়
সংক্ষেপেঃ ভ্রমণকারীদের জন্য সর্বোচ্চ ৬০ দিন, আর কর্মী/ব্যবসায়ীদের জন্য ৬ মাস
থেকে ১ বছর পর্যন্ত বৈধ ভিসা পাওয়া সম্ভব।
কম্বোডিয়ায় কোন কাজের চাহিদা বেশি
কম্বোডিয়া যেতে কত টাকা লাগে এবং ভিসার দাম কত কম্বোডিয়ার কোন কাজে চাহিদা বেশি
কম্বোডিয়ায় সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে দক্ষ এবং অদক্ষ দুই ধরনের কর্মীরই।
বিশেষ করে গার্মেন্টস, নির্মাণ শ্রমিক, রেস্টুরেন্ট স্টাফ, সেলসম্যান, সুপারশপ
কর্মী, ড্রাইভার ,এবং হোটেল রিসোর্ট এর কাজের সুযোগ প্রচুর।
বিদেশীদের জন্য ইংরেজি শিক্ষকতার চাকরিও খুব জনপ্রিয় কারণ সেখানে ইংরেজি প্রচুর
চাহিদা রয়েছে। আইটি, মার্কেটিং, কাস্টমার সার্ভিস, ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্ট, এসব
সেক্টরে ও ভালো সুযোগ আছে। যারা একটু দক্ষতা বা অভিজ্ঞতা নিয়ে যান,
তারা সাধারণত দ্রুত চাকরি পেয়ে যান। মোটকথা কম্বোডিয়ায় কাজ পাওয়া
তুলনামূলক সহজ বিশেষ করে বাংলাদেশের কর্মপ্রার্থীদের জন্য।
কম্বোডিয়ায় একটি দ্রুত উন্নয়নশীল দেশ, তাই এখানে দক্ষ ও অদক্ষ দুই ধরনের চাকরি
চাহিদায় প্রচুর। বিশেষ করে বাংলাদেশীদের জন্য কাজ পাওয়া তুলনামূলক সহজ কারণ
শ্রম ব্যাগ কম এবং দেশটি-বিদেশি কর্মীদের ওপর নির্ভরশীল।
সবচেয়ে বেশি চাহিদাযুক্ত কাজঃ
- গার্মেন্টস কর্মী
- নির্মাণ শ্রমিক
- হোটেল ও রেস্টুরেন্ট স্টাফ
- সুপারশপ কর্মী
- রিসেপশনিস্ট/সেলসম্যান
- ড্রাইভার
- ক্লিনিং ও হাউজকিপিং
- ইংরেজি শিক্ষক
- আইটি ও ডিজিটাল মার্কেটিং
কেন কাজ পাওয়া সহজঃ
- বিদেশি কর্মীর চাহিদা বেশি
- ভিসা ওয়ার্ক পারমিট প্রক্রিয়া দ্রুত
- বেতন তুলনামূলক স্থিতিশীল
- বাঙ্গালীদের সুনাম ভালো
কম্বোডিয়ার উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা কেমন
কম্বোডিয়ার উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনেক উন্নতি করেছে। আগে
যেটি ছিল সীমিত সুযোগের মধ্যেই বন্ধ, এখন তা আন্তর্জাতিক মানে আধুনিক হয়ে
উঠেছে।কম্বোডিয়া যেতে কত টাকা লাগে এবং ভিসার দাম কত সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে
দেশটিতে ১০০ এর বেশি বিশ্ববিদ্যালয় আছে। যেখানে প্রযুক্তি, ব্যবসা, ট্যুরিজম,
হসপিটালিটি, মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং সব ধরনের কোর্স পাওয়া যায়।
আন্তর্জাতিক স্টুডেন্টের সংখ্যা বাড়ছেঃ কম্বোডিয়া এখন আন্তর্জাতিক
শিক্ষার্থীদের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্যে পরিণত হচ্ছে। বিশেষ করে এশিয়ার বিভিন্ন
দেশ বাংলাদেশ, নেপাল, ভারত, চীন, ভিয়েতনাম, থেকে প্রচুর শিক্ষার্থী সেখানে
যাচ্ছে। কারণ টিউশন ফি তুলনামূলকভাবে কম, আর জীবন যাপন অনেক কম হওয়ায় বাজেট
ফ্রেন্ডলি পড়াশোনা করা যায়।
জনপ্রিয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ডিগ্রীঃ কম্বোডিয়ার বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়
আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। যেমনঃ
- Royal University of Phnom Penh-RUPP
- University of Combodia
- Pannasastra University of Combodia
- Royal University of Law and Economics
এ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইংরেজি মিডিয়ামে পড়ানো হয়, যা বিদেশি শিক্ষার্থীদের
জন্য বাড়তি সুবিধা। বিশেষ করে আইটি, ব্যবসা-প্রশাসন, ইংরেজি, ট্যুরিজম
ম্যানেজমেন্ট এ বিষয়গুলো বেশ জনপ্রিয়।
স্কলারশিপ এর সুযোগঃ অনেক বিশ্ববিদ্যালয় মেধা ও প্রয়োজন ভিত্তিক স্কলারশিপ
দেয়। বিশেষ করে Royal University এবং University of Combodia বিদেশি
শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপ প্রোগ্রাম চালায়। কেউ যদি ভালো রেজাল্ট বজায়
রাখতে পারে, তাহলে টিউশন ফিতে বড় ধরনের ছাড়ো পাওয়া যায়।
পড়াশোনার পাশাপাশি কাজের সুযোগঃ যদিও কম্বোডিয়ায় পড়াশোনার ভিসায় ফুলটাইম
কাজের অনুমতি নেই, তবে পার্ট টাইম কাজ করার সুযোগ আছে অনেক ক্ষেত্রে। বিশেষ করে
ইংরেজি টিচিং, রেস্টুরেন্ট, হোটেল, কফিশপ, আইটি সাপোর্ট চাকরিতে শিক্ষার্থীরা
সহজে কাজ পায়। এতে নিজের খরচের একটা বড় অংশ নিজেই সামলাতে পারে।
নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশঃ স্টুডেন্টের জন্য কম্বোডিয়া বেশ নিরাপদ। বড়
শহরগুলো ফনম পেন, সিয়েম রিপ, শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত হোস্টেল, খাবার এবং
পরিবহনের সুবিধা দেয়। স্থায়ীয় মানুষও খুব বন্ধুসুলভ, যার ফলে বিদেশী
শিক্ষার্থীরা দ্রুত মানিয়ে নিতে পারে।
বাংলাদেশ থেকে কম্বোডিয়ার যাওয়ার সহজ উপায়
কম্বোডিয়া যেতে কত টাকা লাগে এবং ভিসার দাম কত বাংলাদেশ থেকে কম্বোডিয়া যাওয়ার
সবচেয়ে সহজ উপায় হলো বিমান। ঢাকা থেকে ফ্লাইট নিলে সাধারণত ব্যাংকক,
কুয়ালালামপুর, বাস সিঙ্গাপুর ট্রানজিট হয়ে কম্বোডিয়ায় পৌঁছানো যায়। ভিসা আগে
থেকে অনলাইনে ই- ভিসা করে গেলে যাত্রা আরো সহজ হয়ে যায়। যেসব এয়ারলাইন্সে
যাওয়া যায়ঃ
- বাংলাদেশ বিমান
- মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স
- থাই এয়ারওয়েজ
- সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স
- ইত্যাদি
টিকিট, আগে বুক করলে দামও কম পড়ে। ভিসা টিকিট ও থাকার জায়গা আগে ঠিক করে রাখলে
পুরো যাত্রা ঝামেলা মুক্ত হয়।
বাংলাদেশ থেকে কম্বোডিয়া কেন যাওয়া উচিত
কম্বোডিয়ায় যাওয়ার অনেক কারণ আছে। প্রথমত, খরচ খুব কম ভ্রমণ, খাবার, থাকা সবই
বাজেট ফ্রেন্ডলি। দ্বিতীয়তঃ ভিসা পাওয়া অত্যন্ত সহজ, বিশেষ করে ই- ভিসা।
তৃতীয়তঃ কম্বোডিয়ার সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ অ্যাংকর ওয়াট, পুরনো মন্দির, সুন্দর
প্রকৃতি, নদী আর শহরের রাতের পরিবেশ সত্যিই মন মাতিয়ে দেয়। চাকরি ও পড়াশোনা
সুযোগও ভালো, তাই অনেকে কাজের উদ্দেশ্য ও যায়। সবচেয়ে বড় কথা বাঙালি পর্যটকদের
জন্য পরিবেশ নিরাপদ এবং বন্ধু সুলভ। তাই হঠাৎ বিদেশ ভ্রমণের ইচ্ছা হলে কম্বোডিয়া
হতে পারে সবচেয়ে উপযুক্ত দেশ।
বাংলাদেশ থেকে কম্বোডিয়ার দূরত্ব কত
ঢাকা থেকে কম্বোডিয়ার রাজধানী ফনম পেনের এয়ার দূরত্ব প্রায় ২০০০ থেকে ২১০০
কিলোমিটার। সরাসরি ফ্লাইট না থাকায় ট্রানজিট ধরে পথটা। একটু লম্বা মনে হলেও
প্রকৃত দূরত্ব খুবই কম।কম্বোডিয়া যেতে কত টাকা লাগে এবং ভিসার দাম কত অনেকটা
ঢাকা থেকে মালয়েশিয়া বা থাইল্যান্ডের দূরত্বের মতোই। তাই যারা দক্ষিণ-পূর্ব
এশিয়া ভ্রমণ করতে চান, তাদের জন্য কম্বোডিয়া একদম কাছের একটি দেশ।
বাংলাদেশ থেকে কম্বোডিয়ায় যেতে কত সময় লাগে
কম্বোডিয়া যেতে কত টাকা লাগে এবং ভিসার দাম কত ফ্লাইট এর ক্ষেত্রে যাত্রা সময়
নির্ভর করে ট্রানজিটের ওপর। সাধারণত ঢাকা থেকে কম্বোডিয়া যেতে তিন ঘন্টার মতো
উড়ান সময় লাগে, তবে ট্রানজিট সহ মোট যাত্রা সময় হতে পারে ৬-১০ ঘন্টা। যদি
ট্রানজিট ছোট হয়, তাহলে ৫-৬ ঘন্টার মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব। ফলে দূর দেশ
মনে হলেও, সময় অনুযায়ী যাত্রাটা মোটেও কষ্টের নয়।
উপসংহার
সব মিলিয়ে কম্বোডিয়া এমন এক দেশ যেখানে কম খরচে আপনি ভ্রমণ কাজ ব্যবসা বা
পড়াশোনার অসাধারণ সুযোগ পেতে পারেন। এবং সুন্দর প্রকৃতি সব মিলিয়ে বাংলাদেশিদের
জন্য এটি একটি আদর্শ গন্তব্য। ব্যাগ গুছিয়ে নিলে ১ সপ্তাহের মধ্যে আপনি চাইলে
কম্বোডিয়ার মাটিতে দাঁড়িয়ে অসাধারণ অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে পারবেন।



আপনার মূল্যবান মতামত এখানে টাইপ করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url